শিক্ষা ও প্রকৌশল অধিদপ্তর দ্বারা জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্ব) মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২১ নভেম্বর-২০২৫ এ সংগঠিত ভূমিকম্পে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় তার জেলার ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের ক্ষয়ক্ষতির তথ্যসহ সচিত্র প্রতিবেদন সংযুক্ত ছকে জরুরি ভিত্তিতে সোমবারের (২৪ নভেম্বর) মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ক্যানকপি ও সফটকপি (Excel-Nikosh Font) ইমেইলে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এদিকে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য আহ্বান করা হয়েছে। নির্ধারিত ছক অনুযায়ী আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে হার্ড ও সফট কপি নির্ধারিত ইমেইলে পাঠাতে হবে। ছকে জেলা-উপজেলার নাম, ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষের সংখ্যা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, বিবরণ ইত্যাদি তথ্য প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, বিগত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকপন অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার কাছাকাছি নরসিংদী জেলায়। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়া থেকে জানা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাম্প্রতিক ভূমিকপনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন অবস্থায়, বিভাগের আওতাধীন সাম্প্রতিক ভূমিকপনে ক্ষতিগ্রস্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য সংযুক্ত ছকে আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে হার্ড ও সফট কপি (Nikos ফন্ট এক্সেল শিটে) পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন-এর ইমেইলে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিঠি দিলে কি হবে
ভূমিকম্পের প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক
খুবই জরুরী
সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত।
সব সময় দেও্যা দরকার