গণপূর্ত অধিদপ্তরে ৬৬৯ পদে চাকরি

  • দুটি পৃথক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। ১৪তম থেকে ১৬তম গ্রেডে ৫ ধরনের পদে ৪০৯ জন এবং ২০তম গ্রেডে ৩ ধরনের পদে ২৬০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৫। নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি, বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি ও আবেদন প্রক্রিয়াসহ দরকারি তথ্য জানাচ্ছেন সাজিদ মাহমুদ

পরীক্ষা পদ্ধতি

১৪তম থেকে ১৬তম গ্রেডে পদভেদে এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। স্টেনো টাইপিস্ট-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে অতিরিক্ত হিসেবে ব্যাবহারিক পরীক্ষায় বসতে হবে। প্রথমেই নেওয়া হবে এমসিকিউ পরীক্ষা। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাক পড়বে লিখিত (রচনামূলক) পরীক্ষায়।গণপূর্ত অধিদপ্তরে ৬৬৯ পদে চাকরি

পরীক্ষা পদ্ধতি

১৪তম থেকে ১৬তম গ্রেডে পদভেদে এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। স্টেনো টাইপিস্ট-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে অতিরিক্ত হিসেবে ব্যাবহারিক পরীক্ষায় বসতে হবে। প্রথমেই নেওয়া হবে এমসিকিউ পরীক্ষা। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাক পড়বে লিখিত (রচনামূলক) পরীক্ষায়।

এরপর ব্যাবহারিক (প্রযোজ্য হলে) ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবেদন ফরম পূরণের শর্তাবলি, এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ দরকারি তথ্য পাওয়া যাবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.pwd.gov.bd)। নিয়োগ পরীক্ষা, নিয়োগের জন্য যোগ্য কর্মী চূড়ান্ত নির্বাচন, কোটা নির্ধারণ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সরকারের সর্বশেষ বিধি-বিধান অনুসরণ করা হবে। সম্ভাব্য পরীক্ষা হতে পারে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে।

নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি

এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার জন্য বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট অথবা বিআইবিএমের মাধ্যমে এমসিকিউ এবং রচনামূলক পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট পদের বিগত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেখলে প্রশ্নের মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ ছাড়া সরকারি অন্যান্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বা সমপর্যায়ের গ্রেডের বিগত প্রশ্নপত্র দেখেও প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে।

নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সহায়ক বই বাজারে পাওয়া যায়। ২০তম গ্রেডের পদগুলোর জন্য অষ্টম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত পাঠ্যবই এবং ১৪তম থেকে ১৬তম গ্রেডের পদগুলোর ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণির পাটিগণিত, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত পাঠ্যবই সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রাখবে।

বাংলা : বাংলা ব্যাকরণের বাক্য রচনা, সমাস, উপসর্গ, অনুসর্গ, পদ প্রকরণ, কারক, সন্ধিবিচ্ছেদ, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, ক্রিয়া-বিভক্তি, উক্তি, শব্দ, যুক্তবর্ণ, প্রত্যয়, প্রবাদ-প্রবচন এবং রচনামূলকে পত্রলিখন, সারাংশ, অনুচ্ছেদ অধ্যায়গুলোতে বেশি জোর দিতে হবে।

ইংরেজি : ইংরেজি ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোতে ভালো প্রস্তুতি রাখতে হবে। যেমন—Use of Verbs, Transformation of verbs, Phrase & idiom, Translation, Fill in the blank, Sentence making, Correction, Narration, Voice, Sprats of speech।

১৪তম থেকে ১৬তম গ্রেডে পদভেদে এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। স্টেনো টাইপিস্ট-কাম-কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে অতিরিক্ত হিসেবে ব্যাবহারিক পরীক্ষায় বসতে হবে। প্রথমেই নেওয়া হবে এমসিকিউ পরীক্ষা। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাক পড়বে লিখিত (রচনামূলক) পরীক্ষায়।

এরপর ব্যাবহারিক (প্রযোজ্য হলে) ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবেদন ফরম পূরণের শর্তাবলি, এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ দরকারি তথ্য পাওয়া যাবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.pwd.gov.bd)। নিয়োগ পরীক্ষা, নিয়োগের জন্য যোগ্য কর্মী চূড়ান্ত নির্বাচন, কোটা নির্ধারণ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সরকারের সর্বশেষ বিধি-বিধান অনুসরণ করা হবে। সম্ভাব্য পরীক্ষা হতে পারে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে।

নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি

এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার জন্য বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট অথবা বিআইবিএমের মাধ্যমে এমসিকিউ এবং রচনামূলক পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট পদের বিগত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেখলে প্রশ্নের মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ ছাড়া সরকারি অন্যান্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বা সমপর্যায়ের গ্রেডের বিগত প্রশ্নপত্র দেখেও প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে।

নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সহায়ক বই বাজারে পাওয়া যায়। ২০তম গ্রেডের পদগুলোর জন্য অষ্টম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত পাঠ্যবই এবং ১৪তম থেকে ১৬তম গ্রেডের পদগুলোর ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণির পাটিগণিত, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত পাঠ্যবই সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রাখবে।

বাংলা : বাংলা ব্যাকরণের বাক্য রচনা, সমাস, উপসর্গ, অনুসর্গ, পদ প্রকরণ, কারক, সন্ধিবিচ্ছেদ, এককথায় প্রকাশ, বাগধারা, ক্রিয়া-বিভক্তি, উক্তি, শব্দ, যুক্তবর্ণ, প্রত্যয়, প্রবাদ-প্রবচন এবং রচনামূলকে পত্রলিখন, সারাংশ, অনুচ্ছেদ অধ্যায়গুলোতে বেশি জোর দিতে হবে।

ইংরেজি : ইংরেজি ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোতে ভালো প্রস্তুতি রাখতে হবে। যেমন—Use of Verbs, Transformation of verbs, Phrase & idiom, Translation, Fill in the blank, Sentence making, Correction, Narration, Voice, Sprats of speech।

এর সঙ্গে লেটার রাইটিং, প্যারাগ্রাফ লিখনেও প্রস্তুতি থাকা জরুরি।

গণিত : পাটিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতি অংশ থেকে প্রশ্ন করা হয়। পাটিগণিতের সরল, লসাগু, গসাগু, গড়, লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সুদকষা, অনুপাত ও সমানুপাত অধ্যায়গুলো অনুশীলন করতে হবে। বীজগণিতের সেট, বর্গ ও ঘন-এর সূত্র এবং ব্যবহার, উৎপাদকে বিশ্লেষণ, সমাধান, মান নির্ণয় ইত্যাদি অধ্যায় ভালো প্রস্তুতি থাকতে হবে। জ্যামিতির প্রাথমিক ধারণাসহ রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ অধ্যায়গুলো আয়ত্তে রাখতে হবে।

সাধারণ জ্ঞান : সাম্প্র্রতিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে প্রস্তুতি রাখতে হবে। বাংলাদেশ প্রসঙ্গে সাম্প্র্রতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঘটনাবলি, ইতিহাস-ঐতিহ্যসহ নানা জাতীয় ইস্যু বিষয়ে আপডেট থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক বিষয়ে বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, বিশ্ববাণিজ্য, যুদ্ধবিগ্রহ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ আলোচিত-সমালোচিত ইস্যুগুলোতে পর্যাপ্ত পড়াশোনা থাকতে হবে।

পরীক্ষার নম্বর বণ্টন

এমসিকিউ পরীক্ষা নেওয়া হবে ৭০ নম্বরে, সময় ৯০ মিনিট। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। বাংলায় ২০, ইংরেজিতে ২০, গণিতে ২০ এবং সাধারণ জ্ঞানে ১০ নম্বরের প্রশ্ন থাকতে পারে। লিখিত (রচনামূলক) পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরে, সময় ৯০ মিনিট। এ পরীক্ষায় বাংলায় ২০-২৫, ইংরেজিতে ২০-২৫, গণিতে ২০-২৫ এবং সাধারণ জ্ঞানে ২০-২৫ নম্বরের প্রশ্ন থাকতে পারে।

গ্রেড অনুসারে আবেদনের যোগ্যতা

প্রথম বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৪তম গ্রেডের স্টেনো টাইপিস্ট-কাম-কম্পিউটার অপারেটর নেওয়া হবে ২৯ জন। যোগ্যতা—কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের পাস। কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতাসহ বাংলা ও ইংরেজি সাঁটলিপি এবং প্রয়োজনীয় কম্পিউটার টাইপিং স্কিল থাকতে হবে। ১৫তম গ্রেডের নকশাকার ৪১ জন; সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ড্রাফটিং সনদসহ এসএসসি পাস। অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার। ১৬তম গ্রেডের কার্য-সহকারী ১৪৪ জন; এইচএসসি বা এইচএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসসহ সংশ্লিষ্ট কাজে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা। একই গ্রেডের অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর নেওয়া হবে ৭৬ জন; কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএসহ এইচএসসি বা সমমানের পাস। কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতাসহ বাংলা ও ইংরেজির প্রয়োজনীয় কম্পিউটার টাইপিং দক্ষতা। ১৬তম গ্রেডের হিসাব সহকারী ১১৯ জন; বাণিজ্য বিষয়সহ দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে এইচএসসি বা সমমান পাস। দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০তম গ্রেডে অফিস সহায়ক নিয়োগ পাবে ১৬১ জন; এসএসসি বা সমমান পাস। নিরাপত্তা প্রহরী ৮১ জন; ভালো দৈহিক গঠনসহ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং জেএসসি বা অষ্টম শ্রেণি পাস। মালি ১৮ জন; বাগানের কাজে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ জেএসসি বা অষ্টম শ্রেণি পাস। সব জেলার যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। ১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া ও বেতন

আবেদন করতে হবে অনলাইনে (http://recruitment.pwd.gov.bd)।  অনলাইনে আবেদন জমার শেষ তারিখ ও সময় ৩১ অক্টোবর ২০২৫ বিকেল ৫টা। একজন প্রার্থী শুধু একটি পদেই আবেদন করতে পারবে। নিয়োগপ্রাপ্তরা জাতীয় বেতন স্কেলে বেতন-ভাতা পাবেন।

3 thoughts on “গণপূর্ত অধিদপ্তরে ৬৬৯ পদে চাকরি”

  1. রচনামূলকে পত্রলিখন, সারাংশ, অনুচ্ছেদ অধ্যায়গুলোতে বেশি জোর দিতে হবে।

  2. Profile photo ofkajolgraphics
    Mohammad Reazul ISLAM

    দুটি পৃথক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top