প্রাথমিক ও গণশিক্ষা পরামর্শক অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, আমাদের দেশে বিজ্ঞান দীর্ঘকাল ধরে শুধুমাত্র সাজসজ্জার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হয়েছে; বাস্তব ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। ঔপনিবেশিক যুগ থেকে বিজ্ঞান আমাদের জীবনের সঙ্গে প্রকৃতভাবে একীভূত হতে পারেনি। যদিও দেশকে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে হলে গুণগত এবং বাস্তবসম্মত গবেষণার কোন বিকল্প নেই। দক্ষিণ কোরিয়া সহ পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশ গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।
শনিবার ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এ “Workshop on Research Methodology for NAPE Faculties and Field Level Researchers” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এই কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের মাঠ পর্যায়ের গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত কর্মকর্তাগণ এবং নেপের অংশীদাররা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন যে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের একটি সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। সেই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য গবেষণা অবশ্যই শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে কেন্দ্রিত হতে হবে। গবেষণার বিষয় নির্ধারণ করতে হবে বাস্তব সমস্যার ভিত্তিতে এবং এটি কতটুকু কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারবে—এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রাখতে হবে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। এ সময় শিক্ষ trainees এবং একাডেমির কর্মকর্তাবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।




প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, আমাদের দেশে বিজ্ঞান দীর্ঘদিন ধরে কেবল সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে; বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে তা যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।