মুশফিকের অভিষেকের সময়েও আমি মাইকে ছিলাম’মুশফিকের অভিষেক টেস্টে আমি ধারাভাষ্যে ছিলাম, ১০০ তম টেস্টেও থাকব। এটা আমার জন্য খুবই সৌভাগ্যের’, ধারাভাষ্যকার এভাবে বলেছেন। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডে খেলতে যাবে। তখন তারা মুশফিকের যোগ্যতা দেখে তাকে দলে নেয়া সুযোগ দিয়েছে। মুশফিক তখন ট্যুর ম্যাচগুলোতে ভাল করছিলেন, যা তার প্রকৃত দক্ষতা প্রমাণ করেছিল। সেই সময়ে ওর ব্যাটিং প্রদর্শন দেখে তারা ওকে দলের জন্য একটা সুযোগ দিতের সিদ্ধান্ত নিলেন। মুশফিকের ব্যাটিং দেখে ধারাভাষ্যকেরা ওর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা করতে থাকলেন।অভিষেকের টেস্টে মুশফিক ব্যাট করছিলেন এবং তখন আমি মাইক্রোফোনে ধারাভাষ্য দিচ্ছিলাম। মুশফিক প্রথম বলটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গীতে খেলেছিলেন এবং তার প্রদর্শন দেখে আমি তাকে একজন উজ্জ্বল ক্রিকেটার হিসাবে চিহ্নিত করতে পেরেছিলাম। মুশফিকের উপর ইংল্যান্ডের বোলিং অ্যাটাকের চাপ থাকা ছিল, তারপরও তিনি উজ্জ্বল প্রদর্শন করেছিলেন। তার ব্যাটিং নিখুঁত ছিল এবং তার ধারাভাষ্যে এই ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখার আশা থাকত। মুশফিকের অভিষেক টেস্টে ধারাভাষ্য দিতেও আমি উপস্থিত ছিলাম এবং এটা আমার জন্য একটা বড় সৌভাগ্য ছিল। আমি নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান মনে করি কারণ ওই সময়ে এই ছেলের ক্রিকেট কেয়ারে উপস্থিত ছিলাম।




ভাল চিন্তা
লিজেন্ডারি……