বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়েছে ইনিংস ব্যবধানে জিতে সিরিজে, এই অবস্থায় হারিয়ে গিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ম্যাকার্থির ব্যাট থেকে লিটন দাসকে আউট করে তাইজুল ইসলাম। লিটন আত্মবিশ্বাসী ছিল, তবে সিরিজে অগ্রগতি করতে চাইলেন। তাইজুলের বোলা লিটনের ব্যাটে লাগানোর পর নাজমুল হোসেন রিভিউ নিয়ে তা আউট হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে দেন। এক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের জটলার চোখে চলে আসে ওভারনাট দৃশ্য। এটা শোনায়, “আউট”!সিলেট টেস্টে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৫৮৭ রান করে লিড নিয়েছিল, এবং দ্বিতীয় ইনিংসে আয়ারল্যান্ডকে ২৫৪ রানে অল আউট করে জিতেছে। বাংলাদেশ ৪৭ রানে লক্ষ্যে জয় লাভ করেছে।আজ খেলার দ্বিতীয় সেশনে আয়ারল্যান্ড ৫ উইকেট হারিয়েছে, এবং বাংলাদেশ জয়ের পথে এগিয়েছে। খেলা শেষ হলে কতক্ষণ লাগবে, এটা সন্দেহ থাকে।তাইজুল ইসলামের বাউন্ডার শটে আম্পায়ারের আঙ্গুল টানলেন, কিন্তু রিভিউে সিদ্ধান্ত পাল্টা হয়। মেহেদী হাসান মিরাজের বোলে স্লিপে দাঁড়িয়ে ক্যাচ ছেড়ে পান নাজমুল হোসেন ও। এর ফলে বাংলাদেশের জয় দেরিতে হয়।ম্যাকব্রাইনের এবিশ্বাসের ৫২ রান জুটি ভাঙলেন হ্যামফ্রিস, তাইজুলের হাতে। তবে, বাংলাদেশ এই নাগালটি মুখ্যতঃ পাচ্ছিল না। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত রিভিউে ধারণা পরিবর্তন হচ্ছিল। মিরাজের একটি ওভারেও ম্যাকব্রাইনের রিভিউ পেয়ে না, প্রথম সেশনে ওভার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় না। আয়ারল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা অবশ্যই সমৃদ্ধ ছিলেন।বাংলাদেশের জন্য জটিলতার চেয়ে আরও সহজ জয় পাওয়া গিয়েছে সিলেট টেস্টে। খেলা থেকেই নিয়ন্ত্রণ প্রাপ্ত করা বাংলাদেশ এই পর্যন্ত সফলভাবে জয় লাভ করেছে।এই সাথে কিছু ব্যক্তিগত সাফল্যও অর্জন করা হয়েছে – মাহমুদুল হাসান ১৭১ রানে ফিরে এসেছেন, নাজমুল হোসেন প্রথম চার ব্যাটসম্যান হিসেবে ৮০ রান স্কোর করেছেন, এবং হাসান মুরাদ আলো ছিড়েছেন।ব্যাটিং-বলিং দিয়ে বাংলাদেশ সিরিজে ১-০ লিড নিয়েছে। পরবর্তী ১৯ নভেম্বর মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্ট খেলা হবে।সংক্ষেপে খেলার স্কোর:আয়ারল্যান্ড: ২৮৬ ও ২৫৪ (ম্যাকব্রাইন ৫২, স্টার্লিং ৪৩, বলবার্নি ৩৮; মুরাদ ৪/৬০, তাইজুল ৩/৮৪)।বাংলাদেশ: ৫৮৭/৮ (ডিক্লেয়ার)।




অনেক দিন পারে ভালো একটি ডেলিভ।
বাংলা েলে কিন্তু পরে ঘোল মারে
বাংলাদেশ এগিয়ে যাও
প্রশংসার দাবিদার।