আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের দিনে এবং এর আগে-পরে, যানবাহনের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।এ ছাড়া, আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়.
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রকাশনায় বলা হয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি, ক্যাব, মাইক্রোবাস, এবং ট্রাকের চালকদের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে, এই নিষেধাজ্ঞা সর্বোপরি প্রযোজ্য হবে না। আইনশৃঙ্খলা নিরাপত্তা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার অধীনে পরিচলিত থাকবে।এছাড়াও, জরুরি সেবা প্রদানের জন্য নিয়োজিত যানবাহন, ঔষধ, চিকিৎসা, এবং পত্রিকাসহ সমস্ত ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। প্রবাসী প্রত্যাবাসী পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণের জন্য বিমানবন্দর থেকে যানবাহনের সুযোগ থাকবে, তবে এখানে টিকিট বা প্রমাণপত্র প্রদর্শন করতে হবে।
একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রীদের বহনকারী যানবাহন বা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াত করার জন্য যেকোনো যানবাহনের চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন জানায়, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ যানবাহন ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
টেলিযোগাযোগ সেবাটি জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে কেবিআরএসআই ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং এলাকাভিত্তিক বা মহানগর হতে বের হওয়া বা ঢোকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন।ইসিতে বলা হয়, “স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা এবং বাস্তবতার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা এলাকাভিত্তিক ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্মক্ষম পক্ষ চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা রাখতে পারবেন।”


