জুলাই মাসে বিপ্লবের পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ সম্পর্কে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে। দেশটি হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের চেয়ে এটি একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দরাবি এই মন্তব্যে একটি প্রকার মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং বাংলাদেশের জনগণ নিজেদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় এই সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম। ইসলামাবাদে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ তাদের মোকাবিলায় নিজেদের গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে। গত সোমবার জুলাই আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।
রায়ে বলা হয়েছে, গত বছর ছাত্রদের নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলনে দমনে তিনি প্রাণঘাতী হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়া সম্ভব এবং এই রায়কে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমন অবস্থায় শুক্রবার নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের (এফও) মুখপাত্র তাহির আন্দরাবি বলেন, এ বিষয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেন, ‘এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম।’
15 মাস আগে ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে শক্তি দেখানোর পর ভারতে পালিয়ে গেলেন প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এই আন্দোলনে হাজারগুলি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। রায় প্রদানের পর বাংলাদেশ সরকার ভারতকে জানিয়েছে, তাদের ফিরিয়ে পাঠানো হবে না এবং বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি অবমাননা হিসাবে বিচারিত হবে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুটি দেশের অবশিষ্ট প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে ভারতের। তবে এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়নি দিল্লি। ভারত দাবি করেছে, দিল্লিতে সব সময় “বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতার সর্বোত্তম স্বার্থে” কাজ করবে এবং এ লক্ষ্যে সকলকে সঙ্গী হিসেবে কাজ করবে।



মৃত্য দন্দ কি যোগ্য