আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জনপ্রতি মোবাইল সিম নিবন্ধনের সর্বোচ্চ সীমা সাতটি নামিয়ে আনার কথা বলেছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রবিবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। বৈঠকে মোবাইলের সিম কার্ডের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে একজন ১০টি সিম ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
এটা নির্বাচনের আগে সর্বোচ্চ সাতটির মধ্যে নিয়ে আসতে পারি।” এই সীমা পর্যায়ক্রমে পাঁচটি থেকে দুইটিতে নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “সিম কার্ড একেবারে কমানো যাবে না, ধীরে ধীরে তা কমিয়ে আনা হবে।” এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “কেউ একজন একটি সিম কার্ড নিয়েছেন, কিন্তু কৌশলে ওই ব্যক্তির নামে আরো কিছু সিম কার্ড বের করে নেওয়া হচ্ছে। আর এই সিম কার্ড দিয়ে অপরাধ হওয়ায় মূল ব্যক্তি তা জানেন না।”
সামাজিক যান্ত্রিকেরা বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক ‘মিথ্যা, ভ্রান্তিকর’ তথ্য প্রচার হয়। এই ভ্রান্তি দূর করতে প্রতিষ্ঠানকে উজ্জীবিত করার জন্য প্রচারকদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। রাজনৈতিক দলগুলি ‘সংঘর্ষের জন্য তৈরি আছে’ বক্তব্যটি উদ্ধৃত করেছে একজন উপদেষ্টা।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠানো হলে, রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচনে কিছু ঘটনা ঘটতে পারে। পুরো পরিবারের মধ্যে বন্ধুত্ব বিগড়ে যেতে পারে। এই ছোট ঘটনাগুলি সমাধান করা আবশ্যক।” রাজনৈতিক দলগুলি এই সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য আলোচনা করে এবং আশা করে সমস্যাগুলি সমাধান করবে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মনে করেন, যদি মানুষগুলি সচেতন থাকেন তাহলে নির্বাচন খুব সুন্দর হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের বিষয়ে একটি প্রশ্নের উত্তরে, তিনি বলেন, “এই সমস্যাগুলি শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে সমাধান করা যাবে না, সবাইকে সচেতন হতে হবে।”





এটা ভালো কাজ
খুবই ভালো কাজ করছে