শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া চিঠিতে ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকারের প্রতি অবগত করে দেখতে চান। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোওয়াল নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ বিষয়ে জানান।রণধীর জয়সোওয়াল ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে উল্লেখ করেছেন, “চলাকালের বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসেবে আমরা চিঠিটি পরীক্ষা করছি। আমরা বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতা সম্পর্কে সহযোগিতা করতে চাই।”নয়াদিল্লিকে দেওয়া চিঠির উত্তর এখনো প্রাপ্ত হয়নি, এই তথ্য দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি জানান, “কূটনৈতিক পত্র মাধ্যমে চিঠিটি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনো উত্তর প্রাপ্ত হয়নি। আমরা খুব শিগগিরই উত্তর প্রত্যাশা করি না।”গত বছর শেখ হাসিনা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সমর্থন করেছিলেন, তারপর প্রত্যর্পণের অনুরোধ দেওয়া হয়। তবে ভারত এই অনুরোধে কোনো সমর্থন দেননি। এছাড়াও, গত বছরের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাব্যস্ত করা হয় শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড।
এখন শেখ হাসিনাকে ভারতে হস্তান্তর করার জন্য বাংলাদেশ তৃতীয়বারের মতো চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলে ১৭ নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সই হওয়া প্রত্যর্পণ চুক্তির অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ভারতে হস্তান্তরের জন্য আবার অনুরোধ করা হচ্ছে।
যদিও নিউ দিল্লি চিঠিতে কোনো জবাব দিয়েন, তবুও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রায় ঘোষণার পর শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে একটি বিবৃতি জারি করেছিল। তারতম্যে বলা হয়েছিল, ‘নিকটস্থ প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম উন্নতি ও সুরক্ষা সংকল্পের অংশ হিসেবে আত্মনির্ভরভাবে প্রতিবদ্ধ আছে। এই লক্ষ্যের সাফল্যের জন্য আমরা সব সময় সহযোগিতামূলকভাবে পরিবর্তন নিয়ে যাব।’

debe ki
এখনো পরীক্ষার পর্যায়েই আছে?