শেখ হাসিনা প্রশাসনের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত ও ভারতের স্বার্থ রক্ষা করতে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দেখাতেছেন। এই হত্যাকাণ্ডের মূল বার্তা ছিল, যদি কোনও সেনা কর্মকর্তা ভারতবিরোধী কোন কাজ করে, তাহলে তাদের পরিণতি পিলখানার মতো হতে পারে। তারা উল্লেখ করেছেন, হত্যাকাণ্ডের বিচার করা উচিত এবং উন্নতিতে কোনো মোটামুটি দেয়া উচিত নয়। যারা এ ঘটনায় নাম দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
বিচার না হলে আরও একটি পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।শুধুমাত্র রাকিন আহমেদ ভূঁইয়া এই বিষয়ে আলাপ করেছেন, একেবারে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে নয়। জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই ঘটনা নিয়ে তদন্তের জন্য কমিশন গঠিত করেছেন এবং প্রতিবেদন জমা দেয়েছেন। এছাড়া, বিশেষজ্ঞদের নির্দেশিত কাজে তারা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তাদের প্রধান প্রতিবেদনে বিবেচিত হবে এবং বিচারে কোনো হাতছাড়া দেয়া হবে না। তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া উচিত যেহেতু এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ এবং কদর হতে হবে না।


ভারতের স্বার্থের জন্য এতকিছু।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই ঘটনা নিয়ে তদন্তের জন্য কমিশন গঠিত করেছেন