এদিকে মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রুশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাপানের কাছে রাশিয়া ও চীনের যৌথ ফ্লাইট ৮ ঘণ্টা ধরে চলে।
মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সাতটি রুশ ও দুটি চীনা বিমান তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছে।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, রাশিয়া ও চীনের টহলরত চারটি বোমারু বিমানের সঙ্গে পরে চারটি চীনা যুদ্ধবিমান যোগ দেয়। এগুলো জাপানের ওকিনাওয়া ও মিয়াকো দ্বীপের মধ্যে যাওয়া-আসা করে। দুই দ্বীপের মাঝের মিয়াকো প্রণালি আন্তর্জাতিক জলসীমা হিসেবে স্বীকৃত।
গত রোববার জাপান বলেছে, আগের দিন চীনা বিমানবাহী জাহাজ থেকে উড্ডয়ন করা যুদ্ধবিমানগুলো জাপানি সামরিক বিমানের দিকে রাডার নিশানা করে। তবে বেইজিং এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
চীনের এসব সামরিক তৎপরতা এমন এক সময় বেড়েছে, যখন গত মাসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, ‘তাইওয়ানে চীনা সামরিক পদক্ষেপ যদি জাপানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে, তবে টোকিও প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।’
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়া বিভিন্ন স্থানে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে চলেছে। তারা যৌথভাবে রাশিয়ার মাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মহড়া করেছে। এছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরে নৌবাহিনীর যৌথ লাইভ-ফায়ার অনুশীলনও চালিয়েছে।




চীন-রাশিয়ার যুদ্ধবিমান সীমান্তে টহল দিচ্ছে, জাপান পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে
valo podokhep
জাপানের কাছে রাশিয়া ও চীনের যৌথ ফ্লাইট ৮ ঘণ্টা ধরে চলে।