‘লিওনিড মেটিওর শাওয়ার’ বা উল্কাবৃষ্টি সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে আগামী ১৬ নভেম্বর।
রাতের আকাশে প্রতি মিনিটে একটি উল্কা পড়বে। এক দিক থেকে অন্য দিকে উল্কা ছুটে যাবে। কেউ ছাদে শুয়ে থাকলে সারারাত উল্কাবৃষ্টি দেখতে পারবে। বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্ব থেকেও উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। এই অদ্ভুত দৃশ্যের জন্য কোনো দিন অপেক্ষা করতে হবে না।উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে আগামী ১৬ নভেম্বর, দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৭ নভেম্বর ভোর ৩টা পর্যন্ত। চাঁদ উঠার পরেও উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে সহজে।উল্কাবৃষ্টির অন্যতম নাম ‘লিওনিড মেটিওর শাওয়ার’। ধূমকেতুর লেজ পৃথিবীর কাছে নিকটতম হতে নিষ্ক্রিয হয়ে উল্কাবৃষ্টি হয়।এই উল্কাবৃষ্টি দেখার জন্য প্রয়োজন নয় কোনো বিশেষ উপকরণ। আকাশে তাকাতে হবে উত্তর গোলার্ধে লিও কনস্টেলেশনের দিকে। সেখানে উল্কাবৃষ্টির দৃশ্য দেখা যাবে।এই উল্কাপাত সাধারণভাবে দীর্ঘদিন চলে। উল্কা ঝরতে থাকলে ধোঁয়া উঠতে পারে এবং উল্কার রংও পাল্টে যেতে পারে।এই মহাজাগতিক ঘটনাটি প্রতি বছর একবার ঘটে। আগামী ২০৩০ সালে আবার এই ধূমকেতু পৃথিবীর কাছে আসবে। তখনও উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।৫৫-পি/টেম্পল-টাটল ৩৩.১৭ বছর পর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এই ধূমকেতু আবার পৃথিবীর কাছে আসবে ২০৩০ সালে।উল্কাবৃষ্টি দেখার জন্য মনে রাখতে হবে, ধূমকেতুর লেজের মধ্যে পৃথিবী যখন যায়, তখন উল্কাবৃষ্টি ঘটে। এই সময়ে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি উল্কা পড়তে পারে। উল্কাবৃষ্টি দেখা গেছে আগের বছরের ১২ ও ১৩ আগস্টে। এবার অন্ধকার আকাশ হওয়ার কারণে আরও ভাল উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে।



