এটি ক্যান্সার চিকিৎসার ধরন পুরোপুরি বদলে দিতে পারে, যেখানে কেবল টিউমার ধ্বংসের পরিবর্তে কোষের স্বাভাবিক কার্যকারিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা যাবে।
পদ্ধতিটি ক্যান্সার কোষকে আণবিক স্তরে পুনঃপ্রোগ্রাম করে, ফলে সেই সকল পরিবর্তন ও আচরণ উল্টে যায় যা কোষকে ক্ষতিকারক করে তুলেছিল। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, আগের মতো আক্রমণাত্মক ক্যান্সার কোষগুলো স্বাভাবিক, ক্যান্সারমুক্ত কোষে ফিরে এসেছে। এই প্রযুক্তি কেমোথেরাপি বা বিকিরণের মতো কঠিন চিকিৎসার প্রয়োজন কমিয়ে আনতে পারে এবং রোগীর জন্য একটি নিরাপদ, সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি অনকোলজিতে এক নতুন যুগের সূচনা হতে পারে। কোষের স্তরে ক্যান্সারের মূল সমস্যাকে লক্ষ্য করলে কেবল রোগ নিয়ন্ত্রণ নয়, সম্ভবত নিরাময়ও সম্ভব হতে পারে। যদিও আরও গবেষণা ও ক্লিনিকাল পরীক্ষা প্রয়োজন, এই আবিষ্কার ভবিষ্যতের জন্য আশার আলো, যেখানে ক্যান্সারকে কেবল লড়াই নয়, উল্টে ফেলা সম্ভব হবে।


এটার মাধ্যমে চিকিৎসা সহয হবে
অনেক সহজ হবে