বাংলাদেশে ডায়াবেটিস নিয়ে যে সাতটি প্রশ্নের মুখোমুখি হন চিকিৎসকরা

বাংলাদেশে ৬১ দশমিক পাঁচ শতাংশ রোগীই জানেন না তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত

অফিসে কাজ করার পরে আমি সবসময় ঠান্ডার তৃষ্ণা পায়, তাই প্রায় সব সময় পানি খাই। সাধারণভাবে একটু পর পর বাথরুমে যাওয়া লাগে, তাই কলিগরা আমাকে হাসির মুখে ধরে নিয়ে বলে, “ওহো, বহুমূত্র রোগী!” তারপর ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরীক্ষা করি, যাতে প্রমাণিত হয়েছে আমি ডায়াবেটিস রোগী। আমাদের পরিবারে কেউ ডায়াবেটিস নেই, তাহলে আমি কেন হবো এমন সমস্যায়?” এই কথাগুলি বলেছিলেন নাবিলা তাবাসসুম, যারা ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। পরে তার চিকিৎসক বলেছেন তিনি ডায়াবেটিস রোগী। তার পরিষ্কার করেও উল্লেখ করেছেন যে ডায়াবেটিস নিয়ে অব্যক্তি ভাল থাকতে পারে না। আমাদের দেশে এক কোটি ৩৫ লাখ ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে, যারা দ্বিগুণ এবং বেশি। রোগীদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ডা. শাহজাদা সেলিম, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের অধ্যাপক, বিবিসি বাংলাকে জানান, বাংলাদেশে ডায়াবেটিস টাইপ-২ রোগীদের সংখ্যা অধিক। প্রায় ৯৯% ডায়াবেটিস টাইপ-২ রোগী। এই ধরনের রোগীদের সাধারণত আগে লক্ষণ দেখা যায় না। মিস সেলিম বিবিসি বাংলাকে জানান, এ ধরনের রোগীরা বুঝতে পারেন না তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বেশিরভাগ সময় রোগীদের কাছ থেকে প্রশ্ন পাওয়া যায়, সেবার প্রভাবে রোগীদের মনে এমন প্রশ্ন থাকতে পারে যে কেন তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এই সমস্যা সম্পর্কে সাতটি প্রশ্নের কথা জানান চিকিৎসকরা।

1 thought on “বাংলাদেশে ডায়াবেটিস নিয়ে যে সাতটি প্রশ্নের মুখোমুখি হন চিকিৎসকরা”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top