বিশ্বজুড়ে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। কিন্তু নতুন এক বৈশ্বিক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে স্বাস্থ্যের আসল ভিত্তি হতে পারে ঘুম। মানুষ ঘুম ও শারীরিক কার্যকলাপ- দুইটি একসঙ্গে বজায় রাখা খুব কমই সম্ভব হচ্ছে।গবেষণাটি ৭০,০০০-এর বেশি মানুষের ৩.৫ বছরের ঘুম ও দৈনিক পদক্ষেপের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে এবং ফলাফল দেখায় যে বিশ্বের মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম এবং ৮,০০০ পদক্ষেপ- দুটি লক্ষ্যই পূরণ করতে পারেন।এই গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী:
১. অনেকে হয় ভালো ঘুমান অথবা সক্রিয় থাকেন- কিন্তু দুটো একসাথে বজায় রাখতে পারেন না। উদাহরণস্বরূপ, প্রায় ১৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী প্রতিদিন ৭ ঘণ্টার কম ঘুমিয়েছেন এবং হাঁটাহাঁটি করেছেন ৫,০০০ কদমেরও কম। এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
২. রাতে ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমানো মানুষের পরের দিনের পদক্ষেপ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর মাধ্যমে দেখা গেছে যে পর্যাপ্ত ঘুম স্বাভাবিকভাবে শরীরকে সক্রিয় হতে সহায়তা করে।
৩. সময় সীমিত হলে ব্যায়ামের আগে ঘুমকে গুরুত্ব দিন। পর্যাপ্ত ঘুম শক্তি, ইচ্ছাশক্তি এবং দিনের নড়াচড়াকে স্বাভাবিকভাবে বাড়ায়।ফ্লিন্ডার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘুম স্বাস্থ্য গবেষক জশ ফিটন জানাচ্ছেন, “খুব কম মানুষই একসাথে ঘুম ও শারীরিক কার্যকলাপের নির্দেশিকা পূরণ করতে পারেন। তাই বাস্তব জীবনের সাথে মানানসই স্বাস্থ্য নির্দেশিকা তৈরি জরুরি।”
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড্যানি একার্ট মনে করেন, “ঘুমকে অগ্রাধিকার দেওয়া শারীরিক ফিটনেস বাড়ানোর সবচেয়ে দ্রুত উপায়।”
উপসংহার:এই গবেষণা দেখায় যে ঘুম কেবল সহায়ক বিষয় নয়; এটি সুস্থতার মূল কাঠামো। যখন ঘুম ঠিক থাকে, শরীর নিজেই সক্রিয় থাকে, মানসিক স্থিতি ভালো থাকে, আর দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি স্পষ্টভাবে কমে।


ঘুম ভাল তো সবই ভাল
দুঃখজনক যে আমাদের যুব সমাজ প্রায় পুরো রাতই কাটিয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থেকে।
ঘুম ক্লান্তি দুর,করে ক্তক মিস্ন্য করে