সোনালী ব্যাংকের ২০২৫ সালের সাফল্যের নানা দিক তুলে ধরতে আজ মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত আলী খান। এ সময় ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন.
গত বছরে সোনালী ব্যাংক ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে নগদে ১ হাজার ২০৩ কোটি টাকা আদায় করেছে। এই টাকার মধ্যে ৩০০ কোটি টাকা হলমার্ক গ্রুপ থেকে আদায় করা হয়েছে। খেলাপির টাকা প্রাপ্তিতে যন্ত্রপাতি ও সম্পদ নিলামের মাধ্যমে বিক্রির চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়েছে। বিদায়ী বছরে ব্যাংকটি ৮ হাজার ১৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা পরিচালন মুনাফা হাসিল করেছে। চূড়ান্ত হিসাবে বছর শেষে দেড় হাজার কোটি টাকা প্রকৃত মুনাফা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত আলী খান। বিদায়ী বছরে ব্যাংকটির সাফল্যের নানা দিক তুলে ধরতে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে শওকত আলী খান বলেন, ‘২০২৪ সালে সোনালী ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা প্রায় ৫ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা ছিল। গত বছর শেষে পরিচালন মুনাফায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে, এটি ব্যাংকের বড় সাফল্য। নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণের পর প্রকৃত মুনাফা প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হবে বলে আশা করছি।’কয়েক বছর ধরে ভালো মুনাফার কারণে ব্যাংকটি মূলধন-ঘাটতি থেকে বেরিয়ে এসেছে জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ব্যাংকগুলোর একটি বড় সমস্যা ছিল মূলধন-ঘাটতি। তবে চলতি বছর থেকে সোনালী ব্যাংকের আর কোনো মূলধন-ঘাটতি নেই। এ অপবাদ থেকে মুক্ত হওয়াটা আমাদের জন্য বিশাল অর্জন।খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ডিসেম্বর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ১৫ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। আগামী বছর শেষে সেটি ১১-১২ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৬ ও ২০২৭ সালের মধ্যে খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


