আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬
শহীদ আফ্রিদির বয়স নিয়ে ক্রিকেট জগতে আগামী কিছু সময় নেই। পাকিস্তানের এই ক্রিকেটারটির আসল বয়স সম্পর্কে বেশ কিছু কথা চলছে। সেই আফ্রিদি এবার পাকিস্তানের এক তরুণ ক্রিকেটারের বয়স শুনে মজার মত মন্তব্য করেছেন, যা শুনে স্টুডিওতে এক মজার এলাকা ছুঁয়ে যায়।সে ক্রিকেটারের নাম ইরফান নিয়াজি। এই অলরাউন্ডার পাকিস্তানের ১৪ টি–টুয়েন্টি ও ৯টি ওয়ানডে খেলেছেন। এবারের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারতীয় আটকের পর একটি টেলিভিশন টক শোতে ২০২৮ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সম্ভাব্য দল নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেখানেই প্রকাশ পায় ইরফানের নাম।
এটি অনুষ্ঠানে আফ্রিদির সাথে যৌক্তিক কথা বলেছিলেন, ‘ইরফান এ অসাধারণ হিটার, যিনি চার বা পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে পারেন। ওর বয়সের কোন সীমা নেই।’ এরপর তিনি যোগ করেন, ‘তার ছেলে ফিট এবং ভালো হিটও করতে পারেন। তাকে ইতিমধ্যেই অসীম সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’
এদিকে তখন সঞ্চালক নিয়াজির বয়স খুঁজে বের করে জানান, ‘তার বয়স ২৩।’ বয়স শুনে বিস্ময় প্রকাশ করে আফ্রিদি বলেন, ‘কী? তার বয়স ২৩?’ সঞ্চালক হাসতে হাসতে বলেন, ‘অফিশিয়ালি তার বয়স ২৩।’ এরপর ৪৬ বছর বয়সী আফ্রিদি মজা করে বলেন, ‘ঠিক আছে, তাহলে আমার বয়স নিশ্চয়ই ৩০ থেকে ৩৫।’ এ কথা শুনে স্টুডিওতেই হাসির রোল পড়ে যায়।
আফ্রিদির অফিশিয়াল বয়স নিয়ে বিতর্ক চলছে বেশ কিছু দিন ধরে। তার আত্মজীবনী বই ‘গেম চেঞ্জারেই’ তার বয়স সম্পর্কে দুটি ভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়েছে। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক তার জন্মসাল ১৯৭৫ হিসেবে দাখিল করেছেন। যেহেতু তার পাসপোর্টে জন্মতারিখ লিখেছে ১ মার্চ ১৯৮০, তাই এই বিতর্ক উৎপন্ন হয়েছে। যখন ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন, তখন ওয়ানডেতে দ্রুততম ছিলেন, তবে তার বয়স ছিল শুধুমাত্র ১৬ বছর।
মজার বিষয় হল, যে ম্যাচে টিভি সম্প্রচারে আফ্রিদির বয়স দেখানো হয়েছিল ২১ বছর, যা পরে আত্মজীবনীতে লেখা জন্মসালের (১৯৭৫) সঙ্গে মিলে যায়। কিন্তু একই বইয়ের আরেক জায়গায় আফ্রিদি লিখেছেন, সেই ইনিংস খেলার সময় তাঁর বয়স ছিল ১৯।নিজের বয়স নিয়েই যেখানে বিতর্কের শেষ নেই, সেই আফ্রিদিই এবার পাকিস্তানের আরেক ক্রিকেটারের বয়স নিয়ে মজা করলেন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে।



