শেখ হাসিনা এবং হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের চরিত্রে কোনো পার্থক্য নেই বলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এদের বিরুদ্ধে নানা কথা বলা হলেও তারা একত্রিত হয়েছে গণতন্ত্র প্রতি প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য। তারা একসাথে মিলে গণতন্ত্রকে ধারালো ছুরি দিয়ে জবাই করেছেন। রিজভী আরও বলেন, এতো দীর্ঘ সময় লাগবে না একত্রিত হতে যদি জাতীয় পার্টি আবার সহযোগী হত।
তাদের মধ্যে একত্রিত হওয়ার মুহূর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এরশাদ ব্যাংক লুট করেছিলেন এবং হাসিনা চূড়ান্ত রূপ দিয়েছিলেন। এই মতের সাথে রিজভী মন্তব্য করেন, ভূতের মুখে রাম নাম বলছে, যতই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা না থাকে কেন, প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এবং পূর্ব প্রধানমন্ত্রী এরশাদের মধ্যে তাদের সম্পর্কে আলাদা কিছু নেই। এইভাবে তারা একসাথে গড়িয়েছেন দেশের উন্নতির জন্য।
তারা একত্রিত হয়েছে দলকে আগামী দিনের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যত নিশ্চিত করার জন্য। এই বিষয়ে তারা একত্রিত হয়েছে এবং একটি নতুন দিকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
বিএনপির এক নেতা বলেছেন, শেখ হাসিনার ২১ বছর সজা পেয়েছেন প্লট বরাদ্দের মামলায়। বর্তমান সরকারে আদালতে কোনো হস্তক্ষেপ দেওয়া হয়নি। কিছু বুদ্ধিজীবী মন্তব্য দিয়েছেন, সব কিছু একই নিয়মে সমাপ্ত হয়। কিন্তু এখন কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতা ধারণ করেননি, তাই কেউ কী করবে তা জানিনা। হাসিনার প্রতিরোধে প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনালেই তার বিচার চলছে।তিনি আরও বলেছেন, রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গুমখুন এখন হচ্ছে না।
রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সরকারে দেওয়া হয়নি। কোর্টে কোনো প্রভাবও নেওয়া হয়নি, যা শেখ হাসিনা করেছিলেন। হাসিনার কাছে সব নিয়ন্ত্রণ ছিল। যারা তারা দেশে নিজেদের বাচ্চা, ছাত্র, শ্রমিক হত্যা করেছে, তাদের বিচার হবে। পাপ পিতৃহিতুকে ছাড়া না। বিচারহীন থাকা মান্য নয়।তার পাশে ব্যাংকের টাকা ফেরত না দেওয়া, ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া এবং আবার ঋণ নেওয়ার সাংস্কৃতিকে তিনি ‘হাসিনোমিকস’ বলেন।এদিকে কর্মসংস্থান কমছে, দারিদ্র্যের সীমা বাড়ছে। এ সমস্যা বিষয়ে আন্তর্জাতিক সরকারকে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান করেছেন।



সত্যি বলেছেন