নির্বাচনের আগে মানবাধিকার সুরক্ষার নিশ্চয়তা চাইলেন অ্যামনেস্টির মহাসচিব বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে। অ্যামনেস্টি ইন্টার্ন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড জানিয়েছেন যে মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান। সংস্থাটির মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড একটি খোলাচিঠিতে লিখেছেন যে সাম্নে রেখে পাঠানো হয়েছে এই চিঠিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অব্যাহত অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে জীবনের সুরক্ষা, ব্যক্তির নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সভা-সমাবেশের অধিকার রক্ষায় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার বিষয়ে। আহ্বান জানানো হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি এই অধিকারগুলো পুরোপুরি সুরক্ষায় আইন, নীতি ও বিধান কার্যকর করতে। চিঠিতে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ মূল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদগুলোর স্বাক্ষরকারী হওয়া সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী প্রশাসন সেই বাধ্যবাধকতাগুলো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টার্ন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড এই নির্বাচনের সম্পর্কে উদ্ভাসিত সমস্যা নিরাকারে বলেন যে নির্বাচনের সময়সহ ব্যক্তি ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর অবাধে কথা বলার অধিকার কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই সমুন্নত রাখতে হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নাগরিকেরা যাতে পুরোপুরি এবং নির্ভয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় দিতে হবে। চিঠিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশের জন্য কাউকে যেন জীবনের ভয়ে থাকতে না হয়, সরকারকে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। চিঠিতে বলা হয়, মৌলিক স্বাধীনতার ওপর এমন বেআইনি বিধিনিষেধ জনসাধারণের মুক্ত আলোচনা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করে। এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের আস্থাও কমিয়ে দেয়। ২০২৪ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেঃ অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক ও সমালোচকদের দমনে কঠোর ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (এটিএ)’ অপব্যবহার করেছে।


